পুলিশি তদন্তে এ পর্যন্ত ১৭ জন আটক, ১ মাসের মধ্যে আদালতে চার্জশিট দেওয়ার প্রতিশ্রুতি পুলিশের
বরাকবাণী ডিজিটাল ডেস্ক শ্রীভুমি ২৭ অক্টোবরঃ বিসর্জন পর্বে বিহু শিল্পীদের উপর আক্রমণ এবং ঘটনা পরবর্তী উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ে সোমবার মুখ খুললেন শ্রীভূমির সিনিয়র পুলিশ সুপার লীনা দোলে।সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন প্রথম দুদিন শান্তিপূর্ণ ভাবে শ্রীভূমিতে বিসর্জন পর্ব সম্পন্ন হয়।শুক্রবার তৃতীয় দিনের বিসর্জনের কোনো অনুমতি জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের তরফে প্রদান করা হয়নি।
কিন্তু এরপরও হিন্দুস্থান ক্লাবের কর্মকর্তারা বিসর্জনে শোভাযাত্রা নিয়ে বের হলে জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের তরফে যাবতীয় সহযোগিতা প্রদান করা হয়।কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে অনুষ্ঠান পরিবেশন করতে আসা বিহু শিল্পীদের ঊপর আক্রমণ করা হয় এবং হিন্দুস্থান ক্লাবের কর্মকর্তারা মারধরের ঘটনায় জড়িত বলে অভিযোগ আসে বলে জানান সিনিয়র পুলিশ সুপার লীনা দোলে।বলেন শুক্রবার রাতেই পুলিশ মাঠে নামে।
প্রথমে আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য সরকারি হাসপাতালে প্রেরণ করা হয় এবং পরিস্থিতি যাতে উওপ্ত না হয় সেজন্য ব্যবস্থা করা হয়।বিহু দলের শিল্পীদের কাছ থেকে অভিযোগ লাভের পরই শ্রীভূমি পুলিশ তদন্তে নেমে এদিন রাতেই তেরোজনকে আটক করে।শণিবার তাদের আদালতে হাজির করা হলে তারা জামিন লাভ করেন।
যদিও এক্ষেত্রে একটি প্রযুক্তিগত ভূলের জন্য আটক তেরোজন জামিন লাভে সক্ষম হয়েছেন বলে জানান সিনিয়র পুলিশ সুপার লীনা দোলে।বলেন রবিবার রাতে আরও চারজনকে আটক করা হয়েছে এবং সোমবার পর্যন্ত সতেরোজন আটক হয়েছেন।বিভিন্ন স্থানের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে দোষীদের চিহ্নিত করা হচ্ছে বলে জানান সিনিয়র পুলিশ সুপার।ত্রিশ দিনের ভিতরে ঘটনার চার্জশিট প্রদান করা হবে বলে জানান সিনিয়র পুলিশ সুপার লীনা দোলে।
তিনি আরও বলেন অসমীয়া-বাঙালির মধ্যে কোনো বিভেদ নেই।ঘটনা পরবর্তীকালে বিষয়টি নিয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের অপচেষ্টা চলছে,যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।তিনি বলেন হিন্দুস্থান ক্লাবের পুজোয় জুবিন গার্গকে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়েছে।বিসর্জনে বিহু দলকে ডেকে এনে অনুষ্ঠান করানো হয়েছে।ফলে যা হয়েছে তার নেপথ্যে রয়েছে মাত্রাতিরিক্ত মদ্যপান বলে মন্তব্য করেন শ্রীভূমির সিনিয়র পুলিশ সুপার লীনা দোলে।





