পশ্চিম কাটিগড়ার রাজপুরে বিধায়কের হাত ধরে ১১ কোটির মিনি স্টেডিয়ামের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

গেছে, মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রায় ৩২ বিঘা জমি জালালপুর চা-বাগান কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে দান করা হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে ১০ কোটি ৯৩ লক্ষ টাকা ব্যয়ে স্টেডিয়ামের পরিকাঠামোগত কাজ সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। পরবর্তীতে দ্বিতীয় দফায় আরও ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ আসবে বলে জানা গেছে। অর্থাৎ, পূর্ণাঙ্গ প্রকল্পে বিনিয়োগের পরিমাণ প্রথম পর্যায়ের বরাদ্দের তুলনায় আরও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।

বিভাগীয় কর্তৃপক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী এগোলে আগামী দুই বছরের মধ্যেই মিনি স্টেডিয়ামের নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। ফলে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে পশ্চিম কাটিগড়া তথা বৃহত্তর এলাকার ক্রীড়াপ্রেমী ও উঠতি খেলোয়াড়রা উন্নত পরিকাঠামোর সুবিধা পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

এদিনের ভূমিপূজা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি চার মণ্ডল সভাপতি বিশালাক্ষ দেব, নিত্য গোপাল দাস, মিঠুন শুক্লবৈদ্য ও নিরাপদ দেব। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের সদস্য পম্পি দাস, প্রমীলা বৈষ্ণব ও ত্রয়োবাসী দাস, কাটিগড়ার সার্কল অফিসার যাত্রাকান্ত কর্মকার, বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা সুখেন্দু কর, কাটিগড়া পূর্ত বিভাগের (বিল্ডিং) এসডিও গুণেন্দ্র শর্মা সহ অন্য কর্মকর্তা, বরাতপ্রাপ্ত ঠিকাদার রত্নদীপ দাস পুরকায়স্থ সহ এলাকার বিশিষ্ট নাগরিকরা।

রাজপুরে এই মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের উদ্যোগকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যেও আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বিধায়ক কমলাক্ষ প্রকল্পটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়িত হবে বলে মত ব্যক্ত করেন এবং পশ্চিম কাটিগড়ার ক্রীড়া ক্ষেত্রে এটি গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো হিসেবে গড়ে উঠবে বলেই আশা ব্যক্ত করেন। এদিকে, প্রায় ১১ কোটি টাকার কাজ। অথচ সেই কাজের ভূমি পূজন উপলক্ষে আয়োজিত সভার ব্যবস্থাপনা নিয়েই উঠল নানা প্রশ্ন।

প্রচণ্ড রোদের মধ্যে নীল রঙের ত্রিপল টাঙিয়ে এবং চারপাশে কয়েকটি কাপড় লাগিয়ে সভার আয়োজন করা হয়। ফলে উপস্থিত অনেকেই অস্বস্তিতে পড়েন। অথচ দিনটি ছিল রবিবার, স্কুলও বন্ধ, তাই পাশে থাকা স্কুল ভবনে সভার ব্যবস্থা করা যেত বলে মত প্রকাশ করেন উপস্থিতদের অনেকেই।

অভিযোগ, শুধু সভাস্থলের ব্যবস্থাপনাই নয়, খাবারের প্যাকেট নিয়েও শুরু হয় গুঞ্জন। উপস্থিত বিশিষ্টজনদের জন্য তুলনামূলক বড় মিষ্টির প্যাকেটে উন্নত মানের এবং অন্যদের জন্য ছোট প্যাকেট দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। কেন এই বৈষম্য? প্রশ্ন উঠে ! পাশাপাশি ছিল না পানীয় জলের ব্যবস্থাও। বিষয়টি নিয়ে উপস্থিতদের মধ্যে ক্ষোভ ও কটাক্ষ শোনা যায়। জানা গেছে, পুরো আয়োজনের দায়িত্ব ছিল কাজের বরাতপ্রাপ্ত ঠিকাদারের। তবে এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

Related Posts

শিলচর পুরনিগম নির্বাচন: ডিগ্রিতে জালিয়াতি করলেই কপালে শনি, জাল সার্টিফিকেট জমা দিলেই শ্রীঘরে যাওয়ার রাস্তা পাকা!

ভুঁইফোড় বোর্ডের সার্টিফিকেট দিয়ে আর পার পাওয়া যাবে না, মেধা ও সততার অগ্নিপরীক্ষায় নামতে হচ্ছে প্রার্থীদের, শিলচর পুরনিগম নির্বাচনে প্রার্থিতা বাতিলের কড়া হুঁশিয়ারি বরাকবাণী ডিজিটাল ডেস্ক ৩ সেপ্টেম্বরঃ বরাক উপত্যকার…

শিলচরে ব্যবসার নামে লোভনীয় লভ্যাংশের ফাঁদ পেতে প্রায় ৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ, শিলচরের বেরেঙ্গার সাদ্দামের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ।

গ্রেপ্তারির পর জামিনে বেরিয়ে সামাজিক বিচারসভার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ; ২৫ দিন পূর্ণ হওয়ার আগেই উধাও প্রতারক। বরাকবাণী ডিজিটাল ডেস্ক ২ সেপ্টেম্বরঃ বরাক উপত্যকার বাণিজ্যিক কেন্দ্র শিলচরে সাধারণ মানুষের বিশ্বাস নিয়ে ছিনিমিনি…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *